মানবতার সেবক মোহাম্মদ ইমাদ উদ্দীনের নান্দনিকতা
মানবতার
সেবক মোহাম্মদ ইমাদ উদ্দীনের নান্দনিকতা
হাফিজ
আবদুল্লাহ
দক্ষিণ চট্টগ্রাম চন্দনাইশের ছেলে মোহাম্মদ ইমাদ উদ্দীন
পাঁচ ভাই বোনদের সবার ছোট। ঐতিহ্যবাহী আলেম পরিবারে জন্ম
তাঁর। সেহের অটিজম সেন্টার, চট্টগ্রামের
উদ্যোগে রান ফর অটিজম এক ইভেন্টে ইমাদ ভাইয়ের সাথে সরাসরি আমার পরিচয়। এর
আগে দেখা না হলেও তার সামাজিক কর্মকান্ডের জন্য আমার হৃদয়ে তার প্রতি
ভালবাসা সৃষ্টি হয়। তার সাথে আমার বিভিন্ন সামাজিক
সংগঠনের সাথে কাজ করার সুযোগ হয়েছে। তার মধ্যে কোনো ভাব কিংবা কাজ
নিয়ে ভাগাভাগি কখনো দেখতে পায়নি। ইমাদ ভাই
একজন রক্তযোদ্ধা ও সামাজিক সংগঠক হিসেবে পরিচিতি হলেও বর্তমান সময়ে একজন তরুণ কবি
ও কলামিস্ট হিসেবে বেশ পরিচিতি লাভ করেছে।
দেয়ালিখায় দিয়ে কিশোরকাল থেকে লেখালেখি শুরু করেন। বিভিন্ন
ম্যাগাজিন, পাক্ষিক
পত্রিকা, মাসিক
পত্রিকা ও বিভিন্ন অনলাইন পত্রিকা সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক ও জাতীয় পত্রিকায় তার
প্রবন্ধ-নিবন্ধ,
গবেষণা ধর্মী লেখা, ছড়া ও কবিতা নিয়মিত প্রকাশিত হয়ে আসছে। এমন
কি ওপার বাংলা (কলকাতা)'র
বিভিন্ন অনলাইন ব্লগও লেখা প্রকাশিত হয়ে আসছে।
লেখালেখির পাশাপাশি মোহাম্মদ ইমাদ উদ্দীন অসংখ্য সামাজিক
সংগঠনের সাথে জড়িত, তবে
সচেতনভাবে কোনো রাজনীতির সাথে সরাসরি জড়িত নয়। তিনি
একজন রক্তযোদ্ধা ও সামাজিক সংগঠক হিসেবে বেশ কিছু সাফল্য অর্জন
করেন। তিনি "কণিকা- একটি রক্তদাতা
সংগঠন" হতে ২০১৬ সাল ও ২০১৭ সালে যথাক্রমে সুপার ডোনার সম্মাননা স্মারক
লাভ করেন। আর ২০১৭ সালে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন থেকে আজীবন
রক্তদাতা সম্মাননা স্মারক অর্জন করেন। তাছাড়া তাকে
২০১৫ সালে ওয়ার্কস ফর গ্রীণ বাংলাদেশ (ডব্লিউ জি বি) সংগঠন হতে বেস্ট ভলান্টিয়ার
অ্যাওয়ার্ড এবং ২০১৩ সালে "জীবনবাতি" সংগঠন থেকে বেস্ট অর্গানাইজার
অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। লেখালেখিতেও বেশ সুনাম অর্জন করেন। তিনি
"টুনটুনি শিশুসাহিত্য পুরস্কার ২০১৮" লাভ করেন।
লেখালেখি ও সংগঠনের পাশাপাশি সংগীত চর্চায় তার বেশ আগ্রহ। বিশেষ
করে প্যারোডি ও দেশত্ববোধক গান। পারিবারিকভাবে সমর্থন না থাকায়
খুব বেশী দূর এগুতে পারিনি। তবুও মাঝে মাঝে সংগীতকর্মীদের সাথে
সংগীত চর্চা করতে ভুল করেন না। মোহাম্মদ ইমাদ উদ্দীন
আজীবন অবহেলিত মানুষদের পাশে থাকতে চায়। আর সংগঠন ও
লেখালেখির মাধ্যমে একটি সুন্দর সমৃদ্ধ দেশ গড়া এবং সবাইকে নিয়ে সচেতনতমূলক কাজ
করার স্বপ্ন দেখেন।
লেখক: হাফিজ আব্দুল্লাহ
No comments